আর্কাইভ
লগইন
হোম
দক্ষিণ আফ্রিকা
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গে দুইদিনে আবু নাসের শামীম (৫৩) ও জামাল উদ্দিন নামে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জোহানসবার্গের অদূরে সুয়েটোর বারাখওয়ানা শহরে আবু নাসের শামীমকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে গুলি করে হত্যা করে। স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, শামীম নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই সময় আগে থেকে প্রস্তুত থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
2026-04-22
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
2025-12-07
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় আমিনুল ইসলাম সিদ্দিকী (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। গত শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর) রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পুপু প্রভিন্সের মেসিনাতে ‘মাডিম্বু আকাশ জেনারেল ডিলার’ নামে তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আমিনুল মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের আজিজ সিদ্দিকীর ছেলে। জানা যায়, গত শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর) বিকেলে দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন আমিনুল। এই সময় দুইজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি এসে একজন তাকে ডেকে ভেতরে নিয়ে যায়। পরে তারা আমিনুলকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকান স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
দক্ষিণ আফ্রিকান স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
2025-11-24
দক্ষিণ আফ্রিকায় স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে রবিন আলী (৩৯) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ফ্রি স্টেট প্রভিন্সের বেলকমের হফস্টাড এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন আলী ঢাকার যাত্রাবাড়ীএলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছিলেন এবং নর্দার্ন কেপ (উত্তর কেপ) প্রভিন্সের আপিংটনে একটি দোকানে কাজ করতেন। তার দক্ষিণ আফ্রিকান স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বেলকমের হফস্টাডে বাড়িতে থাকতেন। প্রতি ৩-৪ মাস পর পর তাদের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন তিনি।
রহস্যময় ফ্লাইটে কয়েক শ ফিলিস্তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায়, নেপথ্যে কারা?
রহস্যময় ফ্লাইটে কয়েক শ ফিলিস্তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায়, নেপথ্যে কারা?
2025-11-19
ইসরাইল যুদ্ধে ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজা থেকে বের হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া এক সংগঠনের বন্দোবস্তে দক্ষিণ আফ্রিকাগামী ফ্লাইটের প্রতিটি আসনের জন্য ১,৬০০ ডলার করে দিতে হবে। অর্থ দিতে হবে আগাম, পাঠাতে হবে একটি ক্রিপ্টো অ্যাকাউন্টে। কয়েক মাস আগে গাজার আহমেদ শেহাদাকে এক ব্যক্তি ফোন করেন। ফোনে ঐ ব্যক্তি বলেন, তিনি একটি মানবাধিকার সংগঠনে কাজ করেন। তিনি আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিমানে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারবেন। শেহাদা প্রথমে বিশ্বাস করেননি, ধরেই নেন এটা একটি প্রতারণা। তিনি নিষেধ করে দেন। কিন্তু পরে খোঁজখবর নিয়ে এক ফিলিস্তিনি বন্ধুর কাছে জানতে পারেন, ঐ বন্ধুও এই দলের মাধ্যমে গাজার বাইরে পালিয়ে গেছেন। ৩৭ বছর বয়সি শেহাদা সিদ্ধান্ত নেন তিনিও সুযোগ নেবেন। শেহাদা অর্থ পাঠান। তারপর শুরু হয় চরম উদ্বেগ ও ভীতিকর এক যাত্রা। প্রথমে শেহাদা, তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে দুটি আলাদা আলাদা বাসে ২৪ ঘণ্টা ভ্রমণ করতে হয়। সে ভ্রমণ পথে যে কোনো সময় ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত হওয়ার ভয় ছিল। ভীতসন্ত্রস্ত বাস ভ্রমণ শেষ শেহাদারা চরম উদ্বেগ নিয়ে ইসরাইলি চেকপোস্ট পার হন এবং সেখান থেকে গন্তব্য অজানা এক ফ্লাইটে চেপে বসেন। নানা ঘাট ঘুরে শেষ পর্যন্ত শেহাদারা পৌঁছান দক্ষিণ আফ্রিকায়। এটি এমন একটি দেশ, যেখানে শেহাদারা কখনো যাননি।