আর্কাইভ
লগইন
হোম
ফাইবার
ময়দার পরিবর্তে কী খাওয়া যেতে পারে?
আমাদের সবার রান্নাঘরেই ময়দা নীরবে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। জন্মদিনের কেক, রুটি, পরোটা থেকে শুরু করে নানা ধরনের মুচমুচে নাস্তা—সবকিছুতেই এই একটি উপাদান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে এত ব্যবহারের পরও প্রতিদিনের খাবারে ময়দা খুব স্বাস্থ্যকর নয়। তাই প্রশ্ন উঠছে—ময়দার বদলে কী ব্যবহার করলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে?
2026-04-21
সুপারফুডের রাজা হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার যতোসব পুষ্টিগুণ
সুপারফুডের রাজা হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার যতোসব পুষ্টিগুণ
2025-11-02
এবারে হ্যালোইনের উৎসব শেষ হলেও পুষ্টিবিদরা সতর্ক করেছেন, এখনো ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। শুধু সাজসজ্জার জন্য নয়, বরং এটি শরীরের জন্য এক বিশেষ সুপারফুড। মিষ্টি কুমড়ার উজ্জ্বল কমলা রঙের মাংসের মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রচুর পুষ্টি। বিশেষ করে ক্যারোটিনয়েডসমৃদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন। এটি শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বকের যত্ন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদাহ কমাতে এবং হৃৎপিণ্ডের রোগ, ক্যান্সারসহ দীর্ঘমেয়াদী অসুখের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক। মিষ্টি কুমড়ায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সহায়ক। এছাড়া এতে থাকে পটাসিয়াম, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী এবং শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। শুধু ১০০ গ্রাম রান্না করা মিষ্টি কুমড়ায় প্রায় ২ গ্রাম ফাইবার রয়েছে, যা পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী তৃপ্তি নিশ্চিত করে। মিষ্টি কুমড়ার প্রাকৃতিক মিষ্টতা এবং ক্রিমি গঠন এটিকে স্যুপ, স্মুদি বা বেকড খাবারে চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সব মিষ্টি কুমড়া খাওয়ার উপযোগী নয় হ্যালোইনের জন্য ব্যবহৃত বড় পাম্পকিনগুলো সাধারণত বেশি পানি ও স্বাদহীন হয়। রান্নার জন্য ছোট ও মাংসপূর্ণ প্রজাতি সবচেয়ে উপযুক্ত।
সকালের নাস্তা হওয়া উচিৎ সুষম খাবারসমৃদ্ধ
সকালের নাস্তা হওয়া উচিৎ সুষম খাবারসমৃদ্ধ
2025-10-23
সারাদিনের সুস্থতার জন্য সকালের নাশতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সকালের নাশতা বাদ দেন, কেউবা নাকেমুখে কিছু গুঁজে ছোটেন কাজে। অনেকে আবার দেরি করে ব্রেকফাস্ট করেন। এর কোনোটাই স্বাস্থ্যকর নয়। সকালের নাশতায় এমন খাবার বেছে নিন, যাতে সারাদিন পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায়, আবার অতিরিক্ত শর্করা বা স্নেহজাতীয় উপকরণও না থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের শুরুর খাবারটা শরীর গঠন ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। তাই এসময় বাইরের খাবার নাশতায় প্রাধান্য না দিয়ে বাড়ির তৈরির খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে। ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, সকালের নাশতা হতে হবে সুষম খাবারে সমৃদ্ধ। শুধু তাই নয়, খাদ্যগ্রহণ করতে হবে ‘পিরামিড রুল’ মেনে। ‘পিরামিড রুল’ অনুযায়ী, দিনের প্রথম খাবার অবশ্যই ভারী হওয়া উচিত। তাই সকালের নাশতায় যেসব খাবার উপকারী হতে পারে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বোল্ড স্কাইয়ের প্রতিবেদন থেকে আসুন তা এক নজরে জেনে নিই-
দুপুরে খাবার না খেয়ে বাড়াচ্ছেন বড় বিপদ!
দুপুরে খাবার না খেয়ে বাড়াচ্ছেন বড় বিপদ!
2025-10-09
আমরা যদি প্রতিদিন দুপুরের খাবার সময়মতো না খাই তাহলে আমাদের শরীরে বড় ধরনের ক্ষতি হয়। প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। সময় কম থাকলে স্যুপ, ফল বা স্যান্ডউইচজাতীয় হালকা পুষ্টিকর খাবার খেয়ে নিন। আগে থেকেই দুপুরের খাবার কি খাবেন, তা পরিকল্পনা করে রাখা উচিত। ওজন কমাতে খাবার এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং প্রোটিন কন্ট্রোল ও সঠিক টাইমিং অনুসরণ জরুরি। মনে রাখবেন, নিয়মিত দুপুরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস বাদ দেওয়া সাধারণ বিষয় মনে হলেও এটি ধীরে ধীরে শরীরের ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে। হজমশক্তি থেকে শুরু করে হৃদযন্ত্র, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রভাবিত হয়। সে জন্য সচেতন হয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর উপাদানে দুপুরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কারণ কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই দুপুরের খাবার সময়মতো খেতে পারেন না কিংবা কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে থাকেন। আবার অনেকেই ডায়েটের জন্য দুপুরের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। মাঝে মধ্যে না খেয়ে থাকার কারণে কিছুটা উপকার মিললেও নিয়মিত দুপুরের খাবার বাদ দিলে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। নিজেকে ফিট রাখার জন্যও কেউ কেউ নিয়ম করে প্রতিদিনই দুপুরের খাবার বাদ দেন। কিন্তু এভাবে খাবার বাদ দেওয়ার কারণে শরীরের যে ক্ষতি হয়, তা অনেকেই জানেন না। দুপুরে খাবার খাওয়া বাদ দিলে শরীরে যে ক্ষতি হয়, সে ব্যাপারে জেনে নিন।